সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
সাড়ে ২১ লাখ টাকার ভারতীয় চিনি সহ দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের জালে আটক বিয়ানীবাজারের দেলোয়ার আজ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সিলেটে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে দুই স্থানে দুই জনের মৃত্যু জকিগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে এক ব্যক্তির মৃত্যু চিনি ছিনতাই কান্ডে তাহমিদ নামে আরো একজন গ্রেফতার চিনি কান্ডে বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত; রাজপথে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বিয়ানীবাজারে বহুল আলোচিত চিনি কান্ড:এ পর্যন্ত গ্রেফতার ০২ সিলেটের মেজরটিলায় টিলা ধসে ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু বিয়ানীবাজারে একই রাতে ১৫ আসামী গ্রেফতার জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন:লোকমান,সবুর ও সুলতানার বিজয়
বড়লেখায় ঘুমন্ত স্ত্রীর গায়ে আগুন, পালিয়ে গিয়েও রেহাই পাননি পাষাণ্ড স্বামী

বড়লেখায় ঘুমন্ত স্ত্রীর গায়ে আগুন, পালিয়ে গিয়েও রেহাই পাননি পাষাণ্ড স্বামী

নিউজ ডেস্ক :: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে  এক পাষাণ্ড স্বামীর বিরুদ্ধে।

জানাযায়, রোববার সকালে উপজেলার রতুলী গাংকুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ রহিমা বেগম সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রহিমা বেগম বড়লেখার গাংকুল গ্রামের রফিক মিয়ার মেয়ে। তার স্বামীর নাম শিপন আহমদ। তিনি একই উপজেলার রতুলী আরেঙ্গাবাদ গ্রামের মুকুল মিয়ার ছেলে।

রহিমার ভাই রাজু আহমদ বলেন, প্রায় তিন বছর আগে শিপনের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তার ওপর নির্যাতন চালাতেন দুলাভাই। তাদের দুই বছরের একটি ছেলেও রয়েছে।

সম্প্রতি আমার বোনকে মারধর করেন স্বামী শিপন ও তার পরিবারের লোকজন। এ কারণে মাসখানেক আগে বোনকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসি। নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে রহিমা শ্বশুরবাড়ি যেতে অনীহা প্রকাশ করেন। পরে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন গ্রামের লোকজন। এরপর থেকে রহিমা আমাদের বাড়িতে থাকেন।

রাজু আরো বলেন, আমার বোনজামাই পেশায় মোটরসাইকেল মেকানিক। শনিবার রাতে কাজ শেষে আমাদের বাড়িতে আসেন। ভোরে ঘুম ভাঙার আগেই রহিমার শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যান। পরে বোনের চিৎকারে ঘরের লোকজন উঠে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এর আগেই রহিমার শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যায়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা।

পুলিশ জানায়, শনিবার ভোরে রহিমার চিৎকারে বাড়িতে দৌড়ে যান এলাকার লোকজন। এর আগেই রহিমার শরীর ঝলসে যায়। তাকে বাঁচানোর প্রাণান্তর চেষ্টায় পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বখাটে হিসেবে এলাকায় পরিচিত শিপন। তার চলাফেরাও খারাপ লোকদের সঙ্গে। আর স্ত্রীকে নির্যাতনের বিষয়টি অনেক পুরনো ঘটনা। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও তিনি না শুধরানোয় বাবার বাড়ি চলে যান স্ত্রী। সেখানে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেট্রল ঢেলে গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যান শিপন।

বড়লেখা থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পরিবারিক কলহের জেরে শিপন পেট্রল ঢেলে স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এ ঘটনায় শিপনের মা, দুই ভাই, চাচাতো ভাইকে প্রথমিক জিজ্ঞেসাবাদের জন্য  আটক করা হয়েছে। শিপনকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবশেষে বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার পশ্চিম হাতলিয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিপন কে গ্রেফতার করে বড়লেখা থানা পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।