শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
১০ ফেব্রুয়ারিত আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা,ডাক পেয়েছে তৃণমূল সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আব্দুল হাই(মায়া) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ ওসি তাজুল ইসলাম কানাইঘাট থেকে বিদায়,বিয়ানীবাজারে যোগাযোগ গোলাপগঞ্জে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ,আহত ৩ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করবেন আজ বিয়ানীবাজারে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন সিলেটে সাংস্কৃতিক উৎসবে শিল্পীদের পরিবেশনায় মুগ্ধ দর্শক সিলেট ঢাকা মহাসড়কে একই পরিবারের ৪ জন সহ ৫ জন নিহত গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
মামুনুল হকের বোনের বাসা থেকে জান্নাত আরা ঝর্ণাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

মামুনুল হকের বোনের বাসা থেকে জান্নাত আরা ঝর্ণাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক :; হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণাকে মামুনুল হকের বোন দিলরুবার বাসা থেকে উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকার একটি বাসা থেকে ঝর্ণাকে উদ্ধার করে।পরে বিকালে তাকে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় ঝর্ণাকে আটকে রাখা হয়েছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। ওই বাসাটি মামুনুল হকের বোন দিলরুবার বাসা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টে এক নারীসহ স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হওয়ার পর মামুনুল হক তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। তবে এ সংক্রান্ত কোনও কাবিননামা দেখাতে পারেননি তিনি। মামুনুল হকের দাবি শরিয়তের বিধি মোতাবেক তিনি ঝর্ণা নামের ওই নারীকে বিয়ে করেছিলেন। তবে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা, সম্পত্তির অধিকার এবং সন্তান ধারণ না করার শর্তে বিয়ে করেছিলেন বলে তিনি দাবি করেছিলেন।

এর আগে গত ১১ এপ্রিল জান্নাত আরা ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান জামি মাকে উদ্ধারের আবেদন জানিয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এছাড়া সোমবার ঝর্ণার বাবা মেয়েকে উদ্ধারের জন্য কলাবাগান থানায় আরেকটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডিতে ঝর্ণার বাবা উল্লেখ করেন, মামুনুল হকের অপকৌশলে ঝর্ণার সুখের প্রথম সংসার ভেঙে যায়। একপর্যায়ে জীবনের তাগিদে কাজের সন্ধানে ঝর্ণা ঢাকায় চলে আসে।

গত ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে রিসোর্টকাণ্ডের পর তিনি জানতে পারেন, ঝর্ণাকে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন মামুনুল হক। ওই ঘটনার পর তিনি মেয়ের ঢাকার ঠিকানায় হাজির হয়ে তাকে খুঁজে পাননি। মামুনুল হকের লোকজন যেকোনো মুহূর্তে ঝর্ণাকে হত্যার পর লাশ গুম করতে পারে বলে সন্দেহ করে তাকে জরুরিভাবে উদ্ধারের কথা বলেন ওলিয়ার রহমান। এরপরই গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল জান্নাত আরা ঝর্ণার অবস্থান জানার চেষ্টা করেন।এবং তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

হেফাজতের বহুল আলোচিত নেতা মামুনুল হককে ১৮ এপ্রিল ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।