বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক সাড়ে ২১ লাখ টাকার ভারতীয় চিনি সহ দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের জালে আটক বিয়ানীবাজারের দেলোয়ার আজ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সিলেটে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে দুই স্থানে দুই জনের মৃত্যু জকিগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে এক ব্যক্তির মৃত্যু চিনি ছিনতাই কান্ডে তাহমিদ নামে আরো একজন গ্রেফতার চিনি কান্ডে বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত; রাজপথে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বিয়ানীবাজারে বহুল আলোচিত চিনি কান্ড:এ পর্যন্ত গ্রেফতার ০২ সিলেটের মেজরটিলায় টিলা ধসে ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু বিয়ানীবাজারে একই রাতে ১৫ আসামী গ্রেফতার
মাকে হত্যার অভিযোগে সৎ ছেলে আটক

মাকে হত্যার অভিযোগে সৎ ছেলে আটক

দর্পণ ডেস্ক : নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে ঘরে আগুন দিয়ে সৎ মাকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।মামলায় ওই গৃহবধূর সৎ ছেলে কামাল উদ্দিনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঘটনার দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক শামীম হোসেনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে নিহত আসমা বেগমের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় কামাল উদ্দিন ও শামীমসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। শামীম হোসেন ছালেপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে।

মামলার তন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) এমদাদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ মামলার ২নং আসামি শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তাকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
প্রধান আসামি কামাল উদ্দিন ও ৩নং আসামি তারেক হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় রয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, কালাদরাপ ইউনিয়নের রামহরিতালুক গ্রামের প্রবাসী ইসমাইল হোসেন বাবুলের ১ম সংসারের বড় ছেলে কামাল উদ্দিনের সাথে তার সৎ মা আসমা বেগমের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই ঘটনার জেরে সোমবার সকালে ১০টার দিকে বাড়িতে গিয়ে শ্যালক শামীম হোসেনের সহযোগিতায় ২ বোতল অকটেন ঘরের মেঝেতে ঢেলে দেয়। এ সময় শামীমের বন্ধু তারেক দিয়াশলাই এগিয়ে দিলে কামাল সেটি দিয়ে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ সময় ঘরে থাকা আসমা বেগম চিৎকার শুরু  করেন ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য। ওই ঘরে থাকা কামালও দগ্ধ হয়। এসময় আসমা ও কামালকে উদ্ধার করতে তাদের স্বজনরা এগিয়ে আসেন। উদ্ধারকারীদের মধ্যে তারেক, মান্নান, সুমনও দগ্ধ হন।

দগ্ধদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আছমা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেয়ার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।