শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:২৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
১০ ফেব্রুয়ারিত আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা,ডাক পেয়েছে তৃণমূল সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আব্দুল হাই(মায়া) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ ওসি তাজুল ইসলাম কানাইঘাট থেকে বিদায়,বিয়ানীবাজারে যোগাযোগ গোলাপগঞ্জে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ,আহত ৩ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করবেন আজ বিয়ানীবাজারে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন সিলেটে সাংস্কৃতিক উৎসবে শিল্পীদের পরিবেশনায় মুগ্ধ দর্শক সিলেট ঢাকা মহাসড়কে একই পরিবারের ৪ জন সহ ৫ জন নিহত গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
অবশেষে অপসারণ করা হল নবীগঞ্জের সেই ইউপি ভবনের নামফলক

অবশেষে অপসারণ করা হল নবীগঞ্জের সেই ইউপি ভবনের নামফলক

মোঃ তাজুল ইসলাম, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে। নবীগঞ্জ উপজেলার ২ নং পুর্ব বড় ভাকৈর ইউনিয়নের নব- নির্মিত গেইটে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশিক মিয়া চেয়ারম্যান এর নামে ভবন প্রতিষ্টাতা দাবী করে টানানো নাম ফলক সরিয়ে ফেলা হয়েছে। গত শনিবার সকাল থেকে এই নাম ফলক গেইটে আর দেখা যায়নি। বিতর্কিত এই নাম ফলক সরিয়ে ফেলায় এলাকায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে জনসাধারণ।

এদিকে একটি সুত্রে জানা যায় বিতর্কিত এই নাম ফলক টানানো নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ আসলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিৎ কুমার পাল বিতর্কিত এই নাম ফলক দ্রুত সরিয়ে ফেলার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান আশিক মিয়াকে নির্দেশ প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে ফলকটি অপসারন করা হয়।

উল্লেখ্য যে ১৯৯৬ সালে আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সারা বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের অধীনে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ীভাবে ভবন নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করে এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালে ২নং বড় ভাকৈর পুর্ব ইউনিয়নের ভবন নির্মিত হয় এদিকে হঠাৎ গ্রামীণ উন্নয়নের বরাদ্দে নব-নির্মিত গেইটে নিজের নামে ভবন প্রতিষ্ঠা দাবী করে একটি বিতর্কিত নাম ফলক টানান উক্ত পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক মিয়া এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকার সর্বত্র চলে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। এদিকে নাম ফলক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ প্রদান করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্থানীয় ইউনিয়নের জনসাধারণ। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার পালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ভাবে চেয়ারম্যান আশিক মিয়াকে ফলকটি সরানোর নির্দেশ দিলে শনিবার সকালেই তিনি অপসারন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।