বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
মাহফুজের সাথে বিচ্ছেদ করে নতুন সংসার গড়লেন ইভা সিলেট নগরীতে আত্মহত্যা করেছে আপন দুই বোন জলবায়ু বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের কাছে ৬টি প্রস্তাব পেশ করলেন শেখ হাসিনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ৩৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজ লেখক, সংগঠক, অভিনেতা প্রশান্ত লিটনের ৪৩ তম জন্মদিন বিশ্বনাথে গলায় ছোরা চালিয়ে যুবকের আত্মহত্যা বহু সংখ্যক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যদিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা সম্পন্ন গোলাপগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দাদ-নাতির মৃত্যু স্কটল্যান্ডে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে বিয়ানীবাজারের এক যুবক খুন বিয়ানীবাজারের রামদায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
বিয়ানীবাজারের চাঞ্চল্যকর পাথর কাণ্ডের তদন্ত..

বিয়ানীবাজারের চাঞ্চল্যকর পাথর কাণ্ডের তদন্ত..

নিউজ ডেস্ক :: বিয়ানীবাজারের সেই আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর পাথরকাণ্ড নিয়ে এলাকা নিরাই হলে হঠাৎ চলে আসে তদন্ত।
এর আগে গত বছর উপজেলার চারখাই এলাকার সুরমা নদীর উপর দিয়ে কানাইঘাট থেকে পাথর বোঝাই নৌকা আটক এবং ছেড়ে দেয়ার ঘটনা নিয়ে সিলেট জেলা জুড়ে শুরু হয়েছিল তোলপাড়।

২০২০ সালের জুলাই মাসে বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব এবং তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অবণী শংকর কর এর মধ্যে পাথর বোঝাই নৌকা আটক-ছেড়ে দেয়া নিয়ে জল ঘোলা খেলায় কেঁপে উঠেছিল বিয়ানীবাজার অঞ্চল।পক্ষে-বিপক্ষে বিবৃতি, জিডি, সংবাদ সম্মেলন,ফেইসবুকে লাইভ, ভিডিও বার্তা ও বিভিন্ন রকম পোষ্টে উত্তাল হয়ে ওঠেছিল বিয়ানীবাজার।

সে সময় উপজেলা চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলন করে সুরমা নদী দিয়ে পাথর বোঝাই নৌকা আটকের কারণ ব্যাখা করেন। তবে ওসি অবণী শংকর করও নৌকা ছেড়ে দেয়ার পক্ষ নানাযুক্তি উপস্থাপন করেন। এ ঘটনায় ওসি অবণী উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লবের বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

একপর্যায়ে ওসি অবণী সংকর কর বিয়ানীবাজার থেকে অন্যত্র বদলী হয়ে যান। তবে তার অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা পড়ে থাকে। এই অভিযোগের বিষয় তদন্ত করতে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পান সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার। তিনি গতকাল মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) বিষয়টি তদন্ত করতে বিয়ানীবাজারে আসেন। একই দিনে বিয়ানীবাজারের তৎকালীন ইউএনও মৌসুমী মাহবুব, সহকারি কমিশণার (ভূমি) খুশনুর রুবাইয়াত ও ওসি অবণী শংকর করও তদন্ত কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত হয়ে তখনকার সার্বিক বিষয়াদি ও পরিস্থিতি উপস্থাপন করেন।

এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এছাড়া বিয়ানীবাজারে এসে তদন্ত কার্যক্রম ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পরিদর্শণ করেন তিনি। তিনি উপজেলার ১নং আলীনগর ইউনিয়ন কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবং সদর তফশিল অফিস পরিদর্শণ করেন।

এসময় বিভাগীয় কমিশনের সাথে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ফজলুর রহমান, সিলেটের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মামুনুর রশীদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক নূর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি