বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
মাহফুজের সাথে বিচ্ছেদ করে নতুন সংসার গড়লেন ইভা সিলেট নগরীতে আত্মহত্যা করেছে আপন দুই বোন জলবায়ু বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের কাছে ৬টি প্রস্তাব পেশ করলেন শেখ হাসিনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ৩৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজ লেখক, সংগঠক, অভিনেতা প্রশান্ত লিটনের ৪৩ তম জন্মদিন বিশ্বনাথে গলায় ছোরা চালিয়ে যুবকের আত্মহত্যা বহু সংখ্যক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যদিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা সম্পন্ন গোলাপগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দাদ-নাতির মৃত্যু স্কটল্যান্ডে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে বিয়ানীবাজারের এক যুবক খুন বিয়ানীবাজারের রামদায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
ফিরে দেখা ১৭ আগস্ট ও আমাদের কামনা- পলাশ আফজাল

ফিরে দেখা ১৭ আগস্ট ও আমাদের কামনা- পলাশ আফজাল

সম্পাদকীয় কলাম থেকে(পলাশ আফজাল):: ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের কোমল বুকে।তাই ১৭ আগস্ট এলেই মনে পড়ে যায় ২০০৫ সালের ১৭ আগস্টের কথা।

তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ৪র্থ বছরে সারা দেশে একযোগে সকাল ১১টায় ৬৩ টি জেলার ৪৩৪ স্থানে এক যোগে ৫৩৫ টি বোমার বিস্ফোরন ঘটায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ নামের সংগঠন। তখন দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যন্ত খারাপ ছিল। ২০০১ সালের ১লা অক্টোবর খালেদা নিজামীর ৪ দলীয় জোট সরকার একটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে প্রথমে চর দখলের মত করে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তারা দখল করে নেয়। আর তৎকালীন বিরোধী দল তথা আওয়ামীলীগের নেতা কর্মির উপরে তারা জেল জুলুম আর নির্যাতন শুরু করে। আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতাদের বেছে বেছে হত্যা করতে শুরু করে।তাদের হাত থেকে রেহাই পাননি আহসান উল্লাহ মাষ্টার,শাহ এসএম কিবরিয়ার মত দক্ষ ও মেধাবী নেতা।

আওয়ামীলীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ২৬ হাজার নেতা কর্মিকে সেই সময় পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয় বিনা অপরাধে।দরজার আড়ালে বসে সরকার শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে গড়ে দিয়ে ছিল ত্রাসের রাজত্ব। চট্রগ্রামের শিল্প মন্ত্রণালয়ের রিস্ট্রিকশন এলাকায় ১০ ট্রাক অস্ত্র রাখা হয়েছিল আওয়ামী লীগকে নিধন করার আশায়। কিন্তু পরবর্তীতে দেশ প্রেমিক কিছু পুলিশ অফিসারের তৎপরতায় সেই ষড়যন্ত্র নসাৎ হয়। বগুড়া সান্তাহার রোডে কাহালু উপজেলার বারো মাইল নামক স্থানে ১ ট্রাক বোঝাইকৃত অবৈধ গুলি পুলিশ উদ্ধার করে।এমন কি ২০০৪ সালের ২১ আগষ্টে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা পর্যন্ত করা হয়েছিল। তখন সারা দেশে এক দূর্বিসহ অবস্থা বিরাজ করছিল। দেশে আইন আর মানবতা বলতে কিছুই ছিলনা।

আজ প্রিয় বাংলাদেশের পুরো দৃশ্যপট আলাদা। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে। তারপর থেকে শুরু হয় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সাড়াসি অভিযান।শেখ হাসিনার দুঃসাহসিক পদক্ষেপের কারনে আজ দেশে জঙ্গি র্নিমুল হয়েছে।এখন বোমার আতঙ্কে মানুষের ঘুম ভাঙ্গেনা,বোমায় মৃত্যু হবে কিংবা অঙ্গহানি হবে সেই দুঃস্বপ্ন এখন আর মানুষ দেখেনা।বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ এখন শান্তিপ্রিয় জঙ্গি মুক্ত বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা যেন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির সম্মান রক্ষা করি।আমাদের এই দেশ আর যেন না ফিরে যায় সেই অতীতের কলঙ্ক জনক অধ্যায়ে।আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রিয় জন্মভূমি যেন সদা নিরাপদ থাকে এই হউক কামনা।

পলাশ আফজাল

সম্পাদক।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি