২৯ জুলাই দিবাগত-রাত রাত অনুমান ১২ টায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।এর কারণ নিয়ে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ পাওয়া গেছে।নিহত মইনুল ইসলাম (৩৫) একই গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত অনুমান সাড়ে ১২টার দিকে তারা খবর পান সাফিয়া বেগমের ঘরে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। এই খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল এসে মইনুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য সাফিয়া বেগমকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

নিহত যুবকের স্বজনদের অভিযোগ, রাতে সাফিয়া বেগমের পরিবারের লোকজন খবর দিয়ে মইনুল ইসলামকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়। এরপর পরিকল্পিতভাবে তাকে কুপিয়ে গলাকেটে খুন করেছে।

অন্যদিকে, সাফিয়ার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ স্বামী প্রবাসে থাকায় দীর্ঘদিন ধরে মইনুল সাফিয়াকে উত্যক্ত করে আসছিল। বিভিন্ন সময় রাতের বেলা সে সাফিয়ার ঘরে ঢুকার চেষ্টা করেছে। বুধবার রাতে ঘরের বেড়া কেটে মইনুল সাফিয়ার ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে সে দা দিয়ে কুপিয়ে মইনুলকে হত্যা করেছে।

গোয়াইনঘাট থানার ওসি পরিমল চন্দ্র দেব জানান, সাফিয়ার পরিবারের অভিযোগ- ঘরের বেড়া কেটে মইনুল ভেতরে ঢুকেছিল। সরেজমিনে ঘরের বেড়া কাটা পাওয়া গেছে। তবে নিহতের পরিবার দাবি করছে খবর দিয়ে বাড়িতে নিয়ে মইনুলকে খুন করা হয়েছে।খুনের পরও খুনিরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করেছিল।পুলিশ আসার পূর্ব মুহূর্তে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহত মইনুলের ছোট ভাই খসরুল ইসলাম বাদি হয়ে সাফিয়াকে প্রধান আসামী করে চারজনের নামে মামলা করেছেন। পুলিশ সাফিয়াকে আটক দেখিয়েছে।

নিহত মইনুলের ঘাড়ে, পিঠে, হাতে ও আঙ্গুলে বেশ কয়েকটি ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল বলে জানিয়েছেন ওসি পরিমল।ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও অন্যান্য আসামিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান।