বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
মাহফুজের সাথে বিচ্ছেদ করে নতুন সংসার গড়লেন ইভা সিলেট নগরীতে আত্মহত্যা করেছে আপন দুই বোন জলবায়ু বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের কাছে ৬টি প্রস্তাব পেশ করলেন শেখ হাসিনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ৩৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজ লেখক, সংগঠক, অভিনেতা প্রশান্ত লিটনের ৪৩ তম জন্মদিন বিশ্বনাথে গলায় ছোরা চালিয়ে যুবকের আত্মহত্যা বহু সংখ্যক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যদিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা সম্পন্ন গোলাপগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দাদ-নাতির মৃত্যু স্কটল্যান্ডে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে বিয়ানীবাজারের এক যুবক খুন বিয়ানীবাজারের রামদায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
ফেনীতে এক কিশোরীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার; আটকে-১

ফেনীতে এক কিশোরীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার; আটকে-১

পুলিশ জিঙ্গাসাবাদের জন্য রাতেই কিশোরীর চাচাতো ভাই আক্তার হোসেন নিশানকে (১৬) আটক করেছে। পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানান, আটক আক্তার হোসেন নিশান ওই বাড়ির মৃত সাহাব উদ্দিনের ছেলে।সে লস্করহাট মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র।

নিহতের মা তাসলিমা আক্তার জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বড় মেয়ে তাসনুভা ইসলামকে নিয়ে পাশের বাড়ি বেড়াতে যাই।ওই সময়ে ঘরে ছোট মেয়ে তানিশা ইসলাম ও তার বৃদ্ধ শাশুড়ি ওয়াজ খাতুন ছিলো।রাত ১০টার দিকে পাশের বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ফিরে ছোট মেয়ে তানিশাকে না দেখে খোঁজাখুজি শুরু করে।এক পর্যায়ে সিড়ি বেয়ে বাড়ির ছাদে উঠলে তানিশার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি।

এসময় তাদের চিৎকারে আশপাশের বাড়ির লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়।

ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর হায়দার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবীসহ জেলার পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। পুলিশ জিঙ্গাসাবাদের জন্য নিহতের চাচাতো ভাই মাদ্রাসা ছাত্র আক্তার হোসেন নিশানকে আটক করেছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশে পরিদর্শক (ওসি) এ এন এম নুরুজ্জামান জানান, খুনি তানিশাকে ছাদের সিড়ির কক্ষে নিয়ে রশিতে ফাঁশ দিতে চেষ্টা করে ছিলো। এর আগে তাকে বালতির পানিতে ডুবিয়েও হত্যা করতে চেষ্টা করেছিলো। প্রাথমিভাবে সেরকম আলামত পাওয়া যায়। পরে তাকে গলাকেটে হত্যা করে ছাদ লাগোয়া গাছ বেয়ে নিচে নেমে যায় খুনি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রশি, বালতি, খুনির জুতোসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।

পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানান, ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডির একাধিক তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে। কি কারণে কিশোরীকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত করা হচ্ছে।

হত্যার আগে কিশোরীকে ধর্ষণ বা অন্য কোন কিছু করা হয়েছে কিনা তা ময়নাতদন্তে জানা যাবে বলেও পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি