বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ মাদক বিরোধী অভিযানে জীবন উৎসর্গ করলেন পুলিশ কর্মকর্তা পিয়ারুল
কষ্টে কাটছে হবিগঞ্জের পশু প্রেমিক হারুনের দিন

কষ্টে কাটছে হবিগঞ্জের পশু প্রেমিক হারুনের দিন

দর্পণ ডেস্ক : নাম হারুন মিয়া। ১২ বছর বয়স থেকেই রিকশা চালিয়ে জীবন চলা। বলা চলে কিশোর বয়স থেকে জীবনসংগ্রামে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে এক অকুতোভয়ের নাম হারুন। দরিদ্র সংসারের গ্লানি যেন তাকে দমিয়ে রাখতে পারে না।

রিকশা চালিয়ে প্রতিদিন যা আয় করেন, এর বেশিরভাগই পশু-পাখির খাবার জোগাতে বিলিয়ে দেন। তাই হবিগঞ্জ শহরের এক প্রিয়মুখ হয়ে ওঠেন হারুন। তিনি হবিগঞ্জ শহরের মোহনপুর এলাকার বাসিন্দা।

মোহনপুর এলাকায় একটি খুপড়ি ঘরে স্ত্রী আর দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন হারুন। কিন্তু ৩০ মার্চ হবিগঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর ঝড়ে উড়ে গেছে হারুনের মাথা গোঁজার শেষ সম্বলটুকু। সব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছে তার।

হারুন বলেন, ছোটবেলা থেকেই রিকশা চালিয়ে জীবন চলছে। অভাব-অনটনের কারণে লেখাপড়াও করতে পারিনি। রিকশা চালিয়ে যে টাকা পাই, এর বেশিরভাগই সড়কে পশুপাখিদের জন্য ব্যয় করি। বাকি টাকা দিয়ে কোনোরকমে সংসার চালানো হয়। এছাড়া কোনো পশুপাখি অসুস্থ হলে সুস্থ করে তুলি। মাঝে মধ্যে তাদের রিকশায় নিয়ে ঘুরে বেড়াই।

পশুপাখির জন্য কেন এত টাকা ব্যয় করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষদের খাওয়ানোর চেয়ে পশুপাখিকে খাওয়ানো ভালো। তাই মনের আনন্দেই তাদের নিয়ে ঘুরে বেড়াই এবং নিজের আয়ের টাকা দিয়ে খাবার কিনে দেই।

হারুন আরো বলেন, কালবৈশাখীর ঝড়ে আমার শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে গেল। এখন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ত্রিপল টাঙিয়ে থাকছি। আমার রিকশা ছাড়া এখন আর কিছুই নেই। কেউ আমাকে একটি ঘর বানিয়ে দিলে স্ত্রী-সন্তানের পাশাপাশি পশুপাখি নিয়ে বাকি জীবন কাটাতে পারতাম।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি