বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
গোলাপগঞ্জে পল্লীবিদ্যুৎ কর্মীর বিদ্যুৎ স্পর্শে মৃত্যু বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ
স্বপ্নের সংসার পুড়ে ছাই, আগুন কেড়ে নিল হালিমার স্বামী-সন্তান

স্বপ্নের সংসার পুড়ে ছাই, আগুন কেড়ে নিল হালিমার স্বামী-সন্তান

দর্পণ ডেস্ক : প্রায় চার বছর আগে স্বামী-সন্তান নিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছিলেন হালিমা বেগম। ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছিলেন স্বপ্নের সংসার। পরিবার পরিজন নিয়ে সুখেই কাটছিল তার দিন। কিন্তু সে সুখ বেশিদিন রইল না। আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে হালিমার সংসার। হারিয়েছেন স্বামী ও তিন ছেলে-মেয়েকে।

সোমবার (২২ মার্চ) বিকেলে বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লাগা ভয়াবহ আগুনে নারী-শিশুসহ ১৫ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় আড়াই হাজার। ওই ঘটনার পর থেকে স্বামী বোরহান উদ্দিন, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না হালিমা বেগম। তাদের খোঁজে শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে হন্যে হয়ে এদিক-ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি। নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে থাকায় কোলের শিশুটি যে- না খেয়ে আছে সেটিও ভুলে গেছেন হালিমা।

হালিমা বেগম বলেন, আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। আগুনে আমার সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেছে। স্বামী-সন্তানদেরও খুঁজে পাচ্ছি না। তারা বেঁচে আছে কিনা তাও জানি না। এখন এই দুধের বাচ্চা নিয়ে কোথায় যাব- বুঝতে পারছি না।

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, যেসব রোহিঙ্গা বাড়িঘর হারিয়েছে- তাদের তালিকা তৈরি করে এনজিও এবং সরকারের পক্ষ থেকে পুনরায় ঘর তৈরি এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকটি ঘর তৈরি হয়ে গেছে। আশা করছি, শিগগিরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

অতিরিক্ত ত্রাণ ও শরনার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দৌজা জানিয়েছেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সবাই প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি