বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
গোলাপগঞ্জে পল্লীবিদ্যুৎ কর্মীর বিদ্যুৎ স্পর্শে মৃত্যু বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ
মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটিয়ে জখম, শিক্ষক গ্রেপ্তার

মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটিয়ে জখম, শিক্ষক গ্রেপ্তার

দর্পণ ডেস্ক : ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসার চতুর্থ জামাতের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহকে (১২) বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কুঠিরহাট দারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মো. ইসমাঈল ওরফে নোয়াখালী হুজুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার মধ্যরাতে কুঠিরহাট থেকে মাওলানা মো. ইসমাঈলকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম।

ওসি মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার বিকালে পড়া না পারার অজুহাতে মাদ্রাসার চতুর্থ জামাতের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহকে (১২) বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে তিন ঘন্টা আটকে রাখেন শিক্ষক মো. ইসমাঈল। ওই দিন সন্ধ্যায় মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ছাত্রের অভিভাবকরা খবর পেয়ে ছাত্রের মামা সুমন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ওমর ফারুক স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মাদ্রাসার অফিস কক্ষ থেকে ছাত্রটিকে উদ্ধার করে কুটিরহাট বাজারে নিয়ে যায়। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এদিকে শিক্ষক ইসমাঈল হোসেনকে এলাকাবাসী ধাওয়া দিলে তিনি তাৎক্ষণিক পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মা ফতেমা আক্তার শারমিন বাদী হয়ে শিশু আইনে শনিবার দুপুরে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কুঠিরহাট দারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মো. ইসমাঈল ওরফে নোয়াখালী হুজুরকে রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক জানান, এর আগেও ইসমাঈল হুজুরের আঘাত সহ্য করতে না পেরে অনেক ছাত্র মাদ্রাসা ছেড়ে পালিয়ে যায়। শ্রেণিপাঠে ভীতি তৈরী হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে পরে আর পড়ালেখায় মনোযোগী করা যায় নি। স্থানীয় মজলিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ হোসেন জানান, এর আগেও শিক্ষক ইসমাঈলের বেত্রাঘাতের বিষয়ে কয়েকবার সালিশ হয়েছে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাথে কথা বলে প্রয়োনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জুবায়ের হোসেন বলেন, মাদরাসা শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাটি দুঃখজনক। শিক্ষকের অপরাধ প্রতিষ্ঠান বহন করবে না। যে অপরাধ করবে তাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। রোববার মাদ্রাসার জরুরী সভা (মিটিং) ডাকা হয়েছে। সভা থেকে শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি