রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ মাদক বিরোধী অভিযানে জীবন উৎসর্গ করলেন পুলিশ কর্মকর্তা পিয়ারুল
পুরান ঢাকায় রঙ ফর্সাকারী নকল ক্রিমের কারখানার সন্ধান

পুরান ঢাকায় রঙ ফর্সাকারী নকল ক্রিমের কারখানার সন্ধান

দর্পণ ডেস্ক : ছোট্ট একটি বাসায় ঘণ্টায় তৈরি হয় কয়েক হাজার পিস রঙ ফর্সাকারী ক্রিম। তিব্বত, নোভা, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির আদলে নিধি অ্যান্ড লাভলি, এমনকি ভারতের বহু নামিদামি রঙ ফর্সাকারী ব্র্যান্ডের নকল ক্রিম তৈরি হতো এখানে।

পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জে হাজী বাল্লু রোডে ‘নিধি কসমেটিকস’ নামে এমন একটি কারখানার সন্ধান মিলেছে। সোমবার সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে। রাজধানীর চকবাজারসহ সারাদেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল কসমেটিকম সরবরাহ করতো এই প্রতিষ্ঠান।

সোমবার দুপুরে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও র্যাব-৩। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানাটির দুই কর্মকর্তাকে দুই মাসের জেল, ৬ লাখ টাকা জরিমানা ও প্রায় ত্রিশ লাখ টাকার মালামাল জব্দ করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ নাসিম পালিয়ে গেছেন।

র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা চকবাজার থেকে শুরু করে সারাদেশে সব কসমেটিকস বিক্রি করতো। তবে আমরা এর মালিককে গ্রেফতার করতে পারিনি। খবর পেয়ে আগেই পালিয়ে গেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, তিন-চার বছর ধরে তারা এখানে এ কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাদের বিএসটিআই নেই, তাদের কোনো প্রসাধনী আসল নয়। তাদের ল্যাব নেই, কেমিস্ট নেই।

বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, তারা প্রচুর কেমিক্যাল ব্যবহার করছে, যা অত্যন্ত মারাত্মক। তারা মারকারি দিয়ে ক্রিম বানায়। এতে রঙ সাময়িকভাবে ফর্সা হলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন চর্মরোগ, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।

এ সময় সেখানে প্রচুর নকল প্রসাধনী, প্রসাধনী বানানোর যন্ত্র, কেমিক্যাল জব্দ করে র্যাব। পাশাপাশি ৩১/৬/২ বাসাটির দ্বিতীয় তালায় কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি