শুক্রবার, ৩০ Jul ২০২১, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
আলোচিত হেলেনা জাহাঙ্গীরের গুলশানের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‍্যাব গোয়াইনঘাটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে যুবকের গলাকাটা লাশ,চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা আমেরিকা প্রবাসী নারী সেজে প্রতারণা, প্রতারককে শেখঘাট থেকে আটক করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ করোনায় মারা গেলেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সানিয়া আক্তার দেশে ফিরা ৫ লাখ প্রবাসী পাবেন সাড়ে ১৩ হাজার টাকা করে অনুদান বিয়ানীবাজার উপজেলা যুবলীগ নেতার পিতৃবিয়োগ,বিভিন্ন মহলের শোক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৯২ সিলেন্ডার অক্সিজেন প্রদান করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জয়ের জন্য ভালোবাসা – ড.সেলিম মাহমুদ লিবিয়ায় হাসপাতালের আইসিইউতে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু পবিত্র মক্কায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক বাংলাদেশির আত্মহত্যা
ধর্মের মেয়ে বানিয়ে মাদরাসায় দিনের পর দিন ধর্ষণ করলেন শিক্ষক

ধর্মের মেয়ে বানিয়ে মাদরাসায় দিনের পর দিন ধর্ষণ করলেন শিক্ষক

দর্পণ ডেস্ক : মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে মেয়ে বানিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছেন এলাকায় ‘হুজুর’ বলে ব্যাপক পরিচিত এক মাদরাসা শিক্ষক। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে মেয়ের পরিবারের লোকজন বিচার চাইতে গেলে ঘটনাটি প্রকাশ পায়।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উম্মাহাতুল মোকমেনিন আদর্শ মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক মাওলানা আবুল মনসুর। উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের কান্দুলিয়া গ্রামের মো. বছির উদ্দিনের ছেলে। গত প্রায় ১০ বছর আগে তিনি পাশের উচাখিলা বাজারের জমি ক্রয় করে বাড়ি করেন। বাসার সামনেই গড়ে তোলেন মাদরাসা। কোরআন শিক্ষার পাশাপাশি একাধিক শিক্ষক রেখে তিনি এখানে কোচিং ব্যবসাও করেন। এলাকার প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী মাদরাসাটিতে পড়াশোনা করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবুল মনসুর এলাকাতেই দুটি বিয়ে করেছেন। দুই স্ত্রীও এক সঙ্গে বসবাস করেন। এ অবস্থায় পাশের একটি গ্রামের কিশোরীকে ‘মেয়ে’ বানিয়ে ওই বাড়িতে নিয়মিত আসা-যাওয়া করেন। একপর্যায়ে ওই কিশোরীর পরিবারকে রাজি করিয়ে নিজ খরচে মাদরাসায় রেখেই পড়াশোনা করানোর দায়িত্ব নেন। এর মধ্যে তার কু-মতলবের কারণে ওই কিশোরী তার কাছ থেকে বাড়িতে চলে যায়। বেশ কয়েকদিন আর মাদরাসায় আসেনি ওই ছাত্রী।

এ ব্যাপারে কিশোরীর মা জানান, তার মেয়ে আর মাদরাসায় যাবে না বলে মন খারাপ করে থাকে। আর কোনো কিছুই বলে না। এ অবস্থায় একদিন হুজুর বাড়িতে এসে অনেক হাদিসের কথা বলে ফের মেয়েকে নিয়ে যায়। মাসখানেক পরে মেয়ে আবার বাড়িতে চলে এসে জানায়, বিভিন্ন শপথ করে হুজুর তার সঙ্গে ‘স্বামী-স্ত্রীর মতো ব্যবহার’ করেছে এবং প্রতিবাদ করায় বিয়ে করবে বলে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানালে গত শুক্রবার হুজুরকে ডেকে আনা হয় এবং তার উপস্থিতিতে হুজুর কর্তৃক দিনের পর দিন ধর্ষণের বর্ণনা দেয় কিশোরী।

চেয়ারম্যান মোতব্বিরুল ইসলাম জানান, মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা মেলে হুজুরের জবানবন্দি থেকেই। কারণ তিনিই ঘটনার জন্য বেশ কয়েকবার ক্ষমা চেয়েছেন। পরে মেয়ের পরিবারকে বলেছেন থানায় যেতে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি