মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
কাজ না করেই ফলক স্থাপন ; বিয়ানীবাজার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সিলেটে ইয়াবা বিক্রির সময় নারীসহ আটক এসআই দৃষ্টিনন্দন হচ্ছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জের নতুন ব্রিজ দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ ভোটারের চেয়ে ভোট বেশি ; নির্বাচনের ফলাফলে গরমিল কান ধরে উঠবস ; ভবিষ্যতে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীর আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য নির্বাচিত এমপি-আব্দুল মজিদ খান কয়লা-চুনাপাথর আমদানিকারকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নন্দিরগাঁও ইউনিয়ন ছাত্র কল্যাণ পরিষদের ২০২১-২০২২ সনের নবগঠিত কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
অসম প্রেমের কারণে কুলাউড়ায় যুবকের উপর নির্যাতন

অসম প্রেমের কারণে কুলাউড়ায় যুবকের উপর নির্যাতন

দর্পণ ডেস্ক : মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় অসম প্রেম করার অপরাধে ডালিম মিয়া নামে এক যুবককে অমানুষিক নির্যাতন করায় ৭দিন ধরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মোবাইল ফোনে গত ৫ ডিসেম্বর পৃথিমপাশা ইউনিয়নের দেওগাঁও গ্রামে ডালিম (২২) কে ডেকে নিয়ে চালানো হয় বর্বরোচিত নির্যাতন। এই ঘটনায় ডালিমের ভগ্নিপতি হাছনু মিয়া কুলাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, দেওগাঁও গ্রামের সৈয়দ আত্তর আলীর কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক হয় ডালিমের। ৩ বছরের প্রেমের সম্পর্ক যখন গভীরতর হয়, তখন বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় প্রেমিকার পরিবার। ডালিম মিয়ার লেখাপড়া ও পরিবারিক অবস্থা ভালো না থাকায় আপত্তি ওঠে প্রেমিকার পরিবার থেকে।

গত ৫ ডিসেম্বর দুপুরে ডালিমকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেয় প্রেমিকার ভাই সৈয়দ আশফাক আলী। সরল বিশ্বাসে ডালিম মিয়া যায় দেওগাঁও গ্রামে। পূর্বপরিকল্পনা মতো সৈয়দ আশফাক আলী ও তার ভাইয়েরা মিলে ডালিম মিয়াকে বেঁধে ৩ ঘন্টা বর্বরোচিত শারিরীক অত্যাচার করে ডালিমের উপর। তার মুখ হাত পা থেতলে দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি জানতে পেরে ডালিম মিয়ার ভগ্নিপতি হাছনু মিয়া ঘটনাস্থলে যান। ডালিম মিয়াকে উদ্ধার করে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিউরোমেডিসিন বিভাগে ৫দিন চিকিৎসা শেষে ১০ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য ডালিম মিয়াকে রিলিজ দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে ডালিম মিয়ার বাম হাত ও পা অবস হয়ে গেছে। বেঁকে গেছে তার মুখমন্ডল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাসুদ জানান, তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি