বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
গোলাপগঞ্জে পল্লীবিদ্যুৎ কর্মীর বিদ্যুৎ স্পর্শে মৃত্যু বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ
পাঁচ পায়ের বাছুর নেচে মাতাচ্ছে সম্পূর্ণ গ্রাম

পাঁচ পায়ের বাছুর নেচে মাতাচ্ছে সম্পূর্ণ গ্রাম

দর্পণ ডেস্ক : পাঁচ পায়ের বাছুর তিড়িং বিড়িং করে দৌড়াচ্ছে এই বাড়ি থেকে ওই বাড়ি। নাচছে তার মায়ের আশপাশসহ খোলা মাঠে। বিরল এই বাছুরের নাছ দেখতে মেতে উঠেছে পুরো গ্রাম। অদ্ভুদভাবে পিঠের উপরে মেরুদণ্ডের প্রধান হাড়টি বেঁকে কুজের (গ্রামীণ ভাষা গজ বলা হয়) আগে অতিরিক্ত একটি পা ডান দিকে ঝুলছে। স্বাভাবিকভাবে অন্য চারটি পায়ের সঙ্গে সমান তালে বেড়ে উঠছে পিঠের উপরের ওই পা।

জন্মের পর বিভিন্ন এলাকা থেকে কৌতূহলী লোকজন ভিড় করতো বাছুরটিকে এক নজর দেখার জন্য। এ অবস্থা এখনো চলছে। পাঁচ পায়ের বাছুরের কথা শুনে একনজর দেখে ফোনে ছবিও তুলে নিচ্ছেন অনেকে।

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার আওনা ইউনিয়নের ঘুইঞ্চা চরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের গাভি মাস খানেক আগে এই বাছুর জন্ম দেয়।

ঘুইঞ্চা গ্রামের সেজাব আলী বলেন, একটু আগেই বাছুরটি আমাদের বাড়িতে দৌড়ে এসেছিলো। বাছুরটি দেখতে অনেক লোক জড়ো হয়েছিলো।

মহিষ চড়াতে আসা কামাল বলেন, আমি এ রকম একটি গরু মাদারগঞ্জে সার্কাসে দেখেছিলাম। তারা যদি খবর পায় তাহলে এটাকেই কিনে নিয়ে যাবে।

মাহফুজুরে রহমানের স্ত্রী বলেন, এটা আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়েছে। আমাদের করার কিছুই নেই। যা করার আল্লাহই করবেন।

পাঁচ পায়ের বাছুর সম্পর্কে মাহফুজুর রহমান বলেন, তার দেশীয় জাতের গাভিটি স্বাভাবিকভাবেই পাঁচ পায়ের বাছুরটিকে জন্ম দেয়। জন্মের পর বাছুরটিকে নিয়ে চিন্তা করেছিলাম বাঁচবে কি-না। কিন্তু এখন আর সে চিন্তা নেই। অন্য বাছুরের সঙ্গে দৌড়ে বেড়াচ্ছে সমান তালে। কোনো সমস্যা নেই তার।

তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো পশু ডাক্তার দেখানো হয়নো হয়নি। দেখানোর ইচ্ছাও নেই। অন্য বছর প্রতিদিন গাভিটি দুই থেকে আড়াই কেজি দুধ দিতো। এ বছর দুধ দোহানো বাদ দিয়েছি। আজ বেশি দুধ খাওয়ার ফলে পেট খারাপ হয়েছে বাছুরটির।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি