শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
কানাইঘাট থেকে ইয়াবা সহ এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব বিয়ানীবাজারে সাড়ে ৩ কেজি গাঁজা সহ ২জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ গোয়াইনঘাটে মা মেয়ে ছেলে সহ ৩ জনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার জকিগঞ্জে মিলেছে গ্যাসের সন্ধান সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান- এর ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ওয়েব অব হিউম্যানিটি এল্যায়েন্স সিলেট এর শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ ও দোয়া মাহফিল ১৪ বছর পর ধর্ষণ মামলার এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ বাংলাদেশ ভারত সংস্কৃতি মৈত্রী ফ্রন্ট এর ভিডিও কনফারেন্স সভা সম্পন্ন হয়েছে মধ্যরাতে বিয়ানীবাজারে অটোরিকশার ধাক্কায় এক যুবক নিহত বিয়ানীবাজার থেকেই কিশোরী উদ্ধার,অপহরণকারী যুবক গ্রেফতার মাদক মামলার সাজা প্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ
১৫ দিনের শিশুকে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে ফেলে যায় বাবা-মা

১৫ দিনের শিশুকে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে ফেলে যায় বাবা-মা

দর্পণ ডেস্ক : সাতক্ষীরায় ঘুমন্ত বাবা-মায়ের কাছ থেকে ‘চুরি হয়ে যাওয়া’ ১৫ দিন বয়সী নবজাতকের লাশ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা-মাকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের ওই শিশুর বাবা-মা স্বীকার করেছে, তারাই তাকে হত্যার পর লাশ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মির্জা সালাহউদ্দিন জানান, সোহান হোসেন নামের শিশুটির লাশ উপজেলার হাওয়ালখালী এলাকায় বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে শনিবার রাত ১টার দিকে তারা উদ্ধার করেন।

সোহানকে হত্যার পর লাশ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়া হয় বলে তার বাবা সোহাগ হোসেন ও মা ফাতেমা খাতুন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, পুলিশ সেপটিক ট্যাংক থেকে সোহানের লাশ উদ্ধার করলে ফাতেমা ও সোহাগ হত্যায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।

অভিযোগের বরাত দিয়ে সদর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, সোহাগ স্ত্রী ফাতেমাকে নিয়ে হাওয়ালখালী গ্রামে রাস্তার ধারে নানাবা‌ড়ি‌তে বসবাস করছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুটিকে নিয়ে বাবা-মা ঘুমিয়ে ছিলেন। সোহাগের অভিযোগ, এসময় কে বা কারা সদ্যজাত শিশুটিকে তুলে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে সদর থানায় একটি জিডি করেন সোহাগ।
শুক্রবার সকাল থেকে সদর থানা পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) শিশুটি উদ্ধারে কাজ শুরু করে।
শুক্রবার দিবাগত রাতে সন্দেহ হওয়ায় সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা খুললে শিশুর লাশ দেখা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি