মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ মাদক বিরোধী অভিযানে জীবন উৎসর্গ করলেন পুলিশ কর্মকর্তা পিয়ারুল
ছাত্রী গণধর্ষণ ; ডিবি পুলিশের কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

ছাত্রী গণধর্ষণ ; ডিবি পুলিশের কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

দর্পণ ডেস্ক : রংপুরের হারাগাছে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এরইমধ্যে রায়হান নামে ডিবি পুলিশের এক এএসআইকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। অভিযুক্তকে শনাক্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে রায়হান ও ওই স্কুলছাত্রীকে মুখোমুখি করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

রোববার সন্ধায় নির্যাতিতা নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে হারাগাছ থানায় নেয়া হয়। সেখানে মামলা গ্রহণের পর রাতে নির্যাতিতাকে নেয়া হয় রংপুর মেডিকেলে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার-ওসিসিতে নেন।

সকালে ওসিসিতে ছাত্রীর মা ও চাচা জানান, চকলেট খাইয়ে অচেতন করে মেয়েটিকে একটি বাড়িতে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে। এসময় মেয়েটিকে মারপিট করা হয় বলেও জানান তারা।

ছাত্রীর মা বলেন, ‘এই মেয়েটিও চকলেট খাইছে আমার মেয়েকেও খাওয়াইছে। তারপর ও অচেতন হয়ে গেছে তখন ওই মহিলা তার বাসায় নিয়ে গেছে।’

গণধর্ষণের ঘটনায় সহায়তার জন্য নগরীর কেদারেরব্রিজ মহল্লার একটি বাড়ি থেকে ভাড়াটিয়া আলেয়া বেগম মেঘলা ও সুরভী নামে দুই মহিলাকে আটক করা হয়েছে। বাড়ির মালিক ও এলাকাবাসী জানায়, মাত্র ৫ দিন আগে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিল মেঘলা।

মহানগর পুলিশের কর্মকর্তা জানান, এরই মধ্যে রায়হান নামে অভিযুক্ত ডিবি পুলিশের এএসআইকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে। ধর্ষণে দুজন অংশ নেয়ার কথা জানতে পেরেছে বলে জানান রংপুর মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘থানায় এএসআই ছিল। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। তদন্তের জন্য তাকেও রেখেছি হেফাজতে।’

তবে পুলিশ সদস্যের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি থাকায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মুখোমুখি করা হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি