বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
মাহফুজের সাথে বিচ্ছেদ করে নতুন সংসার গড়লেন ইভা সিলেট নগরীতে আত্মহত্যা করেছে আপন দুই বোন জলবায়ু বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের কাছে ৬টি প্রস্তাব পেশ করলেন শেখ হাসিনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ৩৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজ লেখক, সংগঠক, অভিনেতা প্রশান্ত লিটনের ৪৩ তম জন্মদিন বিশ্বনাথে গলায় ছোরা চালিয়ে যুবকের আত্মহত্যা বহু সংখ্যক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যদিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা সম্পন্ন গোলাপগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দাদ-নাতির মৃত্যু স্কটল্যান্ডে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে বিয়ানীবাজারের এক যুবক খুন বিয়ানীবাজারের রামদায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
ভারতে এক পুরোহিতের গায়ে আগুন দিয়ে মারার অভিযোগ

ভারতে এক পুরোহিতের গায়ে আগুন দিয়ে মারার অভিযোগ

দর্পণ ডেস্ক : জমি নিয়ে বিবাদের জেরে মন্দিরের পুরোহিতকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে। রাজস্থানের জয়পুর থেকে ১৭৭ কিলোমিটার দূরে করৌলি জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদল লোক কেরোসিন ঢেলে ওই পুরোহিতের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রামের রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে পূজা করতেন বাবুলাল বৈষ্ণব নামের ওই ব্যক্তি। নিয়মিত যাতে তিনি পূজা চালিয়ে যান, তার জন্য তাকে মন্দিরের কেয়ারটেকার পুরোহিত নিযুক্ত করে রাধাকৃষ্ণ মন্দির ট্রাস্ট। এর পাশাপাশি তার সংসার চালাতে মন্দিরের সম্পত্তি থেকে ১৩ বিঘা জমিতে বাবুলালকে চাষবাসের অনুমতি দেওয়া হয়। মন্দির দেখভালের দায়িত্বে থাকা সেবায়েত পুরোহিতদের জমি দেওয়ার এই প্রথা দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। এই ধরনের জমিগুলোকে ‘মন্দির মাফি’ বলা হয়।
তবে এই জমি ঘিরেই বিবাদের সূত্রপাত। চাষাবাদে সুবিধার জন্য ওই জমিসংলগ্ন এক টুকরো জায়গায় বাড়ি তৈরি করতে চাচ্ছিলেন বাবুলাল। মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া ১৩ বিঘা জমি এবং ওই জমির মাঝখানে একটি উঁচু ঢিবি ছিল। মাটি সমান করতে সেই ঢিবি ভেঙে ফেলেন তিনি। এতেই ক্ষুব্ধ হয় এলাকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মীনা সম্প্রদায়ের লোকজন। যে জমিতে বাবুলাল বাড়ি তৈরি করতে চাচ্ছিলেন, সেটি তাদের জমি বলে দাবি করেন। গ্রামের মাতব্বরদের কাছে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গেলে তারা অবশ্য পুরোহিতের পক্ষেই মত দেন। তার পর ফের বাড়ি তৈরির কাজে হাত দেন তিনি।
তার পরেও মীনা সম্প্রদায়ের লোকজন মিলে ওই জমিতে নিজেদের একটি কুঁড়েঘর তৈরি করতে শুরু করেন। তাতে বাধা দিতে গেলে বাবুলালের সঙ্গে তাদের ঝামেলা বেধে যায়। এ সময় কেরোসিন ঢেলে তার গায়েও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দ্রুত জয়পুরের এসএমএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বাবুলালকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
করৌলির পুলিশ প্রধান হার্জিলাল যাদব জানান, একটি খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত্যুর আগে পুলিশের কাছে ছজনের নাম উল্লেখ করে গেছেন বাবুলাল। তাদের মধ্যে কৈলাস মীনা নামের একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি