মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
মোটর বাইক ওনার্স এসোসিয়েশন সিলেট এর পূর্নাঙ্গ কমিটি প্রকাশ গোয়াইনঘাটে হিন্দু যুব পরিষদের কমিটি গঠন করা হয়েছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণা সিলেট থেকে এক তরুণী নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে ২৮ জন নির্বাচিত কাল ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচন সিলেটের ওসমানী নগরে একই ঘর থেকে স্কুল শিক্ষিকা ও গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার জকিগঞ্জে বাস চাপায় এক স্কুল ছাত্র নিহত বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা সম্পন্ন দুবাগ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলা উদ্দিন খানের মৃত; জানাজায় মানুষের ঢল
ভিডিওটি ফেসবুকে না ছড়ালে ঘটনা গোপনই থাকত ; হাইকোর্ট

ভিডিওটি ফেসবুকে না ছড়ালে ঘটনা গোপনই থাকত ; হাইকোর্ট

দর্পণ ডেস্ক : নোয়াখালীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে, বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। এ সময় হাইকোর্ট প্রশ্ন করেন, এক মাস এই ঘটনা চাপা থাকল কি করে, পুলিশ কী করছে। ফেসবুকে ভিডিওটি না ছড়ালে তো ঘটনা গোপনই থাকত।
এদিকে এ মামলায় প্রধান আসামি বাদলকে ঢাকা এবং দেলোয়ারকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত এ মামলার চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
দোষীরা প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনার পর এক মাস পার হলেও ভয়ে মুখ খোলেনি কেউ। কিন্তু সম্প্রতি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরে।
একলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ আলম ভুঁইয়া বলেন, এ জঘন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা হোক।
বিষয়টি নজরে এলে রোববার অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতেই থানায় পর্নোগ্রাফি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতিতা নারী।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে আইনি সহযোগিতা দিতে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরালের পর শুরু হয় তীব্র প্রতিবাদ। বর্বর এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন সবাই।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি