মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
লিবিয়ায় হাসপাতালের আইসিইউতে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু পবিত্র মক্কায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক বাংলাদেশির আত্মহত্যা বিয়ানীবাজারে গ্রামপুলিশ কর্তৃক এএসআই রতন মিয়ার বিদায় সংবর্ধনা সিলেট -৩ আসনের উপনির্বাচন স্থগিত আগামী বছরের শুরুতে মিলবে ২১ কোটি ডোজ টিকা যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ানীবাজারের এক যুবকের আকষ্মিক মৃত্যু জকিগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসারের মৃত্যু, বাদ আসর জানাজা দুবাগ স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া স্মরণে ভার্চুয়াল আলোচনা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিয়ানীবাজারের দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধ শতাধিক ফকির আলমগীর আর আমাদের মাঝে নেই
সিলেটে ; কবর থেকে বের হচ্ছে সুগন্ধি, বাড়ছে মানুষের সমাগম

সিলেটে ; কবর থেকে বের হচ্ছে সুগন্ধি, বাড়ছে মানুষের সমাগম

দর্পণ ডেস্ক : সিলেটের কানাইঘাট দারুল উলূম মাদ্রাসার আলেম ও রাজনীতিবিদ মাওলানা মুশাহিদ বায়মপুরীর (রহ.) কবর থেকে সুগন্ধি ছড়াচ্ছে বলে দাবি করছেন তার অনুসারীরা। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে ভিড় করতে শুরু করে মানুষ। দূর-দুরান্ত থেকে আসা অনেকে জানিয়েছেন, কবর থেকে সুগন্ধি আসছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কানাইঘাট উপজেলা সদরে অবস্থিত দারুল উলুম কানাইঘাট মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে মাওলানা মুশাহিদ বায়মপুরীর (রহ.) কবর রয়েছে। তিনি ১৯৭১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মারা যান। সেই হিসেবে তার মৃত্যুর ৫০ বছর পেরিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে আরও তিনবার তার কবর থেকে সুগন্ধ বেরিয়েছে। এটি অলৌকিক ঘটনা বলেও মনে করেন এলাকার জনসাধারণ।

মাদ্রাসার শিক্ষক ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলী বলেন, ‘বুধবার মাগরিবের নামাজের পর ছাত্ররা কবর জিয়ারতে গেলে সুগন্ধ অনুভব করেন। পরে তারা আমাদের খবর দিলে আমরাও তার বাস্তব প্রমাণ পাই।’

এ নিয়ে চতুর্থ বারের মতো এ আলেমের কবর থেকে সুগন্ধ বের হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর দিন দাফনের পর একবার, দাফনের তিনমাস পর একবার এবং ২০১২ সালে একবার কবর থেকে সুগন্ধ বের হয়।। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।’

প্রসঙ্গত, আল্লামা মুশাহিদ আহমদ বায়ামপুরী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের একজন খ্যাতিমান আলেম, রাজনীতিক, সমাজ সংস্কারক ও লেখক ছিলেন। হাদিস বিশারদ হিসেবে উপমহাদেশে তার ব্যাপক খ্যাতি রয়েছে। সিলেটের কানাইঘাট দারুল উলূম মাদরাসার মুহতামিম ও শাইখুল হাদিস ছিলেন। তিনি সিলেট সরকারি আলিয়াসহ ভারত-বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৬২ সালে তিনি পাকিস্তানের মেম্বার অব ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এমএনএ) নির্বাচিত হন। আরবি, বাংলা ও উর্দু ভাষায় তার মূল্যবান বেশ কিছু গ্রন্থ রয়েছে। দারুল উলূম দেওবন্দে রেকর্ডসংখ্যক নাম্বার পেয়ে তিনি কৃতিত্বের সাক্ষর রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি