সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের ছাত্র আকিব চলে গেছেন না ফেরার দেশে ঐতিহাসিক ৭ মর্চের ভাষণ নতুন প্রজন্মের প্রেরনার উৎস শহিদ আফ্রিদির মেয়েকে বিয়ে করছেন শাহিন আফ্রিদি গোপন ৮ স্ত্রী নক্সাবন্দীর , মামলা তুলে নিতে ৪র্থ স্ত্রীকে হুমকি শাবি ছাত্রীর গোসলের দৃশ্য ধারণের অভিযোগ সোমবার থেকে ব্রিটিশ নাগরিকদের ভ্রমণের জন্য নতুন আইন : অমান্য করলে ৬,৪০০ পাউন্ড জরিমানা সিলেটে ইনজেকশন পুশ করে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক একদিনে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বাড়ল ১০ টাকা সিলেটে ঐতিহাসিক ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা এই প্রথম ৭ মার্চ পালন : স্বাধীনতায় ভূমিকা রাখা সব জাতীয় নেতাকে প্রাপ্য সম্মান দিতে চায় বিএনপি
সিরাজগঞ্জে চোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ; ভিডিও ভাইরাল

সিরাজগঞ্জে চোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ; ভিডিও ভাইরাল

দর্পণ ডেস্ক : সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মধ্যযুগীয় কায়দায় কথিত এক চোরকে গাছে বেঁধে পাশবিক নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার জামতৈল কলেজপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, ছাগল চুরি সন্দেহে কথিত এক চোরকে রশি দিয়ে তার হাত পা বেঁধে তার হাতের নখগুলো প্লাস দিয়ে ভেঙে ফেলতে দেখা যায় স্থানীয় মাছের পোনা উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ী হ্যাপিকে। এসময় কথিত অজ্ঞাত ওই চোর ব্যাপক চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকেন।

ভিডিও ক্লিপে নির্যাতনকারী হ্যাপি ওই কথিত ওই চোরকে মারতে মারতে বলেন, ওর আঙ্গুল দুইটা ভাঙছি ও অন্য চোরদের নাম না বলা পর্যন্ত ওর আঙ্গুল সবগুলো ভাঙব। তার আগে ছাড়বো না।

হ্যাপি নির্যাতিত ওই ব্যক্তিকে বলেন, আমি ওকে মেরে ফেলবো না, ওর হাত-পা ভাঙব, তারপর ছেড়ে দেব।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে ছাগল চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেদম মারপিট করেন হ্যাপি ও তার ছেলে। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও কারও কথা মানেননি হ্যাপি ও ছেলে। স্থানীয়রা কথিত ওই চোরকে না মেরে পুলিশে সোপর্দ করার কথা বললেও ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন হ্যাপি ও তার ছেলে। নির্যাতনের প্রায় দুই ঘণ্টা পর অজ্ঞাত ওই কথিত চোরকে ছেড়ে দেন হ্যাপি।

এ বিষয়ে হ্যাপি জানান, এর আগে আমার একটি ছাগল হারিয়েছে। আবার আরেকটি ছাগল নিয়ে যাওয়ার সময় ছাগল চোরকে ছাগলসহ হাতেনাতে ধরে দুই-একটা চড় থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দেই। এ বিষয়ে থানা থেকে পুলিশ এসেছিল। আমি বাড়িতে না থাকায় মুঠোফোনে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।

এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্যাতিত ভিকটিম ও নির্যাতনকারী কাউকে পাওয়া যায়নি। তারপরও আমরা বিষয়টি দেখছি কি করা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি