বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:১১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ মাদক বিরোধী অভিযানে জীবন উৎসর্গ করলেন পুলিশ কর্মকর্তা পিয়ারুল
ঘুষ বাণিজ্যে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫ পুলিশ ক্লোজড

ঘুষ বাণিজ্যে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫ পুলিশ ক্লোজড

দর্পণ ডেস্ক : অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেনসহ ৫ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।

শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান- গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের স্কয়ায়ের সামন থেকে আরএফএল বেস্ট বাই’য়ের ম্যানেজার লুৎফুর রহমান তার এক কাস্টমারের মোটরসাইকেল করে ওলিপুর আসছিলেন। এ সময় শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ মোটরসাইকেলটি আটক করে কাগজপত্র দেখতে চায়।

কিন্তু চালক কাগজপত্র বাড়িতে রয়েছে জানালে আরএফএল বেস্ট বাইয়ের ম্যানেজার লুৎফুর রহমানের জিম্মায় মোটরসাইকেলটি রেখে চালক বাড়ি থেকে কাগজপত্র আনতে যান। কিন্তু তিনি আর কাগজপত্র নিয়ে না আসায় পুলিশ লুৎফুর রহমানকে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে হাজতে আটকিয়ে সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দাবি করেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন।

অন্যতায় তাকে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা দায়ের হুমকি প্রদান করা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের দাবি করা সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে রাতে থানা থেকে মুক্তি পান লুৎফুর রহমান।

এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর লুৎফুর রহমান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার একটি কমিটি গঠন করে তদন্ত শুরু করেন। এতে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওসি মোজাম্মেল হোসেন, সদরের এক সাব ইন্সপেক্টর ও ৩ কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়।

এ ব্যাপারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি