বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
বিয়ানীবাজারে নামধারী ছাত্রলীগ ক্যাডার সালাউদ্দিন গ্রেফতার কানাইঘাটে কারেন্টে তারে লাগে দাদা-নাতির মৃত্যু চুনারুঘাটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ১২ বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জানুয়ারিতে জেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চুনারুঘাটে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে একই পরিবারে ৩ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্ম দিন পালন করেছে বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগ মাদক বিরোধী অভিযানে জীবন উৎসর্গ করলেন পুলিশ কর্মকর্তা পিয়ারুল
নবীগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার লংকা কাণ্ড, এলাকায় তোলপাড়

নবীগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার লংকা কাণ্ড, এলাকায় তোলপাড়

মোঃ তাজুল ইসলাম, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে। নবীগঞ্জ উপজেলার ৮৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কারের ১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ফেরতের ঘটনায় তোলপাড় চলছে জেলাজুড়ে। আলোচিত ঘটনায় নবীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুল ইসলামের উদাসীনতা ও অনৈতিক মানসিকতাকে দায়ী করা হচ্ছে। এতগুলো প্রতিষ্ঠানের টাকা ফেরতের ঘটনাকে নজির বিহীন হিসেবে আখ্যায়িত করছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের কারন দর্শানোর নোটিশ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ৬ জুলাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওই নোটিশজারী করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিস ও দায়িত্বশীল সূত্র জানায়,গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ৫৯টি বিদ্যালয়ে ২ লক্ষ এবং ২৬ টি বিদ্যালয়ে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মেরামত কাজের জন্য অনুমোদিত হয়। বিদ্যালয়গুলোর অনুকূলে বরাদ্দ নিয়ে লুকোচুরি খেলায় মেতে ওঠে উপজেলা শিক্ষা অফিস। ৬ মাসপর উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম অবগত হন। ২১ জুন এনিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষকদের অগ্রিম ভিত্তিতে কার্যসম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিধি মোতাবেক উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী কর্তৃক কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রত্যায়ন নিয়ে বিপত্তি দেখা দেয়। কাজের অগ্রগতি ও প্রত্যায়ন ছাড়া টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা নিশিকান্ত দেবনাথ। তৈরি হয় জটিলতা। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল কয়েকদফা বৈঠক করেও সমাধানে ব্যর্থ হন।
মাত্র ৬টি বিদ্যালয় কার্য সম্পাদন করে অর্থ উত্তোলন করে। ৭৯ টি বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থের বরাদ্দ বাতিল হয়। অনেক শিক্ষক আংশিক কাজ করে ক্ষতিগ্রস্ত হন। অনেক স্থানে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাথে শিক্ষকদের মতবিরোধ দেখা দেয়। এছাড়া গত ডিসেম্বর মাসে আসা বরাদ্দ নিয়ে রহস্যজনক নিরবতা এবং শেষ মুহূর্তে বরাদ্দকৃত অর্থ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার অনুকূলে নেয়ার প্রচেষ্টাকে কমিশন বাণিজ্যের পরিকল্পনা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এঘটনায় কোন শিক্ষককে ফাঁসানোর চেষ্টা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও শিক্ষা কমিটির সভাপতি ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম বলেন, রহস্যজনক কারণে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেষ মুহূর্তে বরাদ্দের ঘটনা অবহিত করেন। তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়েও আইনি জটিলতায় টাকা ফেরত যায়। দুর্ভিসন্ধি মূলক ঘটনায় দায়ভার অবশ্যই শিক্ষা কর্মকর্তাকে নিতে হবে।

এব্যাপারে শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুল ইসলামের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে ফোন দেয়া হয় তিনি রিসিভ না করায় মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি