বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
মাহফুজের সাথে বিচ্ছেদ করে নতুন সংসার গড়লেন ইভা সিলেট নগরীতে আত্মহত্যা করেছে আপন দুই বোন জলবায়ু বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের কাছে ৬টি প্রস্তাব পেশ করলেন শেখ হাসিনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ৩৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজ লেখক, সংগঠক, অভিনেতা প্রশান্ত লিটনের ৪৩ তম জন্মদিন বিশ্বনাথে গলায় ছোরা চালিয়ে যুবকের আত্মহত্যা বহু সংখ্যক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যদিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা সম্পন্ন গোলাপগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দাদ-নাতির মৃত্যু স্কটল্যান্ডে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে বিয়ানীবাজারের এক যুবক খুন বিয়ানীবাজারের রামদায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
বিশ্বে বেকার হতে পারে অর্ধশত কোটি মানুষ

বিশ্বে বেকার হতে পারে অর্ধশত কোটি মানুষ

দর্পণ ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল।দিশাহারা শুধু নিম্ন আয়ের দেশ নয়; এর প্রভাব পড়েছে ইউরোপ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত।অনেক দেশে করোনা সংক্রমণের হার কমতে শুরু করেছে-এটা আশার কথা হলেও হতাশার বিষয় হচ্ছে বিশ্বে ফের আসছে করোনাভাইরাসের আরও একটি ভয়াবহ প্রবাহ।

এতে ফের বন্ধ হবে উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি।বন্ধ হবে কর্মজীব  মানুষের কাজের পথ। কাজ হারিয়ে স্থায়ী ভাবে ঘরে ফিরতে হবে লাখ লাখ শ্রমিককে, যা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ভাষ্যমতে ,করোনার দ্বিতীয় প্রবাহের জেরে বিশ্বজুড়ে ৩৪০ মিলিয়ন বা ৩৪ কোটি মানুষ কাজ হারাতে পারেন। আর দারিদ্র্য সীমার নিচে চলে যেতে পারেন শুধু ভারতেরই ৪০ মিলিয়ন মানুষ।তাছাড়া করোনাকাল দীর্ঘায়ত হলে বিশ্বের অর্ধশত কোটি মানুষ বেকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে , ২০০৮-২০০৯ সালের আর্থিক সংকটের চেয়ে বহুগুণ ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে। গত বছর ডিসেম্বরে আড়াই কোটি মানুষের নতুন করে বেকার হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছিল আইএলও। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সেই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে বিশ্ব শ্রম সংস্থাটি।
তারা বলছে,করোনার তান্ডবে শুধু ২০২০ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে সারা বিশ্বে ৬.৭ শতাংশ কাজের সময় নষ্ট হবে। তবে এই আশঙ্কার মধ্যেও ভারতে বেকারত্ব হার নিয়ে ইতিবাচক রিপোর্ট দিয়েছে সিএমআইই।
করোনা পরিস্থিতিতে ভারতে বেকারত্বের হার ছুঁয়ে গিয়েছিল ২৬ শতাংশে। এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহ শেষেই বেকারত্বের হার গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ২৩-২৪ শতাংশের মাঝামাঝি। ১৯ এপ্রিল থেকে ২২ এপ্রিলে এই হার বেড়েছে আরও প্রায় ৩ শতাংশ। তবে সেই হারই এবার কমে দাঁড়াল ১০.৯৯ শতাংশে। লকডাউন শুরু হওয়ার আগে মার্চে এই হার ছিল ৮.৭৫ শতাংশ।
আবার লকডাউন শিথিলের আগে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতে বেকারত্বের হার ছিল ১৭.৫ শতাংশ। এরপর লকডাউন শিথিল হতে সেই হার নেমে আসে ১১.৬ শতাংশে। আর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী দেশটিতে বেকারত্বের হার নেমে এসেছে ১০.৯৯ শতাংশে।

ভারত সহ বিশ্বের জনবহুল দেশগুলোতে কাজের পরিধি কমে আসবে,বাড়বে বেকারত্ব। এর প্রভাব থেকে মুক্তি পাবেনা আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ক্রিয়েটিভ জোন আইটি