শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে চা বাগানের টিলা ধসে ৪ নারী শ্রমিকের মৃত্যু বিশ্বনাথ থানা পুলিশ কর্তৃক মোবাইল কোট পরিচালনা করে এক মাদক বিক্রেতার জেল জরিমানা বিয়ানীবাজারে ঝুলন্ত শিশুর ৪ দিন পর ঝুলন্ত কিশোরের লাশ উদ্ধার শিশু ইমনের মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি ; হত্যা না আত্মহত্যা জানতে চায় স্বজন জকিগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বিজিবি সদস্য নিহত সড়ক দুর্ঘটনায় জালালপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আওলাদ হোসেন নিহত দুবাগের শিশু ইমনের ঝুলন্ত লাশ মুড়িয়ায় পাওয়া গেছে কুলাঙ্গার ওয়াহিদকে গ্রেফতার করেছে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ সিএনজি থেকে লাফ মেরে মৃত্যু বরণকারী স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হয়নি বিয়ানীবাজারের মাথিউরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে চোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ; ভিডিও ভাইরাল

সিরাজগঞ্জে চোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ; ভিডিও ভাইরাল

দর্পণ ডেস্ক : সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মধ্যযুগীয় কায়দায় কথিত এক চোরকে গাছে বেঁধে পাশবিক নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার জামতৈল কলেজপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, ছাগল চুরি সন্দেহে কথিত এক চোরকে রশি দিয়ে তার হাত পা বেঁধে তার হাতের নখগুলো প্লাস দিয়ে ভেঙে ফেলতে দেখা যায় স্থানীয় মাছের পোনা উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ী হ্যাপিকে। এসময় কথিত অজ্ঞাত ওই চোর ব্যাপক চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকেন।

ভিডিও ক্লিপে নির্যাতনকারী হ্যাপি ওই কথিত ওই চোরকে মারতে মারতে বলেন, ওর আঙ্গুল দুইটা ভাঙছি ও অন্য চোরদের নাম না বলা পর্যন্ত ওর আঙ্গুল সবগুলো ভাঙব। তার আগে ছাড়বো না।

হ্যাপি নির্যাতিত ওই ব্যক্তিকে বলেন, আমি ওকে মেরে ফেলবো না, ওর হাত-পা ভাঙব, তারপর ছেড়ে দেব।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে ছাগল চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেদম মারপিট করেন হ্যাপি ও তার ছেলে। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও কারও কথা মানেননি হ্যাপি ও ছেলে। স্থানীয়রা কথিত ওই চোরকে না মেরে পুলিশে সোপর্দ করার কথা বললেও ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন হ্যাপি ও তার ছেলে। নির্যাতনের প্রায় দুই ঘণ্টা পর অজ্ঞাত ওই কথিত চোরকে ছেড়ে দেন হ্যাপি।

এ বিষয়ে হ্যাপি জানান, এর আগে আমার একটি ছাগল হারিয়েছে। আবার আরেকটি ছাগল নিয়ে যাওয়ার সময় ছাগল চোরকে ছাগলসহ হাতেনাতে ধরে দুই-একটা চড় থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দেই। এ বিষয়ে থানা থেকে পুলিশ এসেছিল। আমি বাড়িতে না থাকায় মুঠোফোনে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।

এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্যাতিত ভিকটিম ও নির্যাতনকারী কাউকে পাওয়া যায়নি। তারপরও আমরা বিষয়টি দেখছি কি করা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ওরাকল আইটি