রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
শিরোনাম :
জকিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যাক্তি নিহত বিয়ানীবাজারে নিজ গৃহে বন্যার পানিতে ডুবে এক ব্যক্তির মৃত্যু কুলাউড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে সাপের দংশনে যুবকের মৃত্যু সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বিয়ানীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি,পানিবন্দি ২ লাখ মানুষ পুরো সিলেটে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা,বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন পৌনে ২ লাখ গ্রাহক সিলেটে দিশাহারা বানভাসি মানুষ,উদ্ধারে নামছে সেনাবাহিনী দুই লাখের বেশি মামলা নিষ্পত্তি করেছে গ্রাম আদালত শিক্ষকের গাফিলতির কারনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হলেন আব্দুর রউফ তালুকদার
মাদ্রাসা নির্মাণে জমি দান করলেন হিন্দু নারী

মাদ্রাসা নির্মাণে জমি দান করলেন হিন্দু নারী

দর্পণ ডেস্ক : মাদ্রাসা নির্মাণের জন্যে জমি প্রয়োজন। চেষ্টা করেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এগিয়ে এলেন এক হিন্দু নারী। এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির ঘটনা ঘটেছে নেপালে।
দেশটির গণমাধ্যম খবর হাব ডটকম-এ প্রকাশিত খবরে জানা যায়, বিষ্ণুমায়া প্রসাইন নামে নেপালের হিন্দু ধর্মীয় এক নারী সমাজকর্মী মুসলিম শিশুদের পড়াশোনার সুবিধার্থে মাদ্রাসা নির্মাণে জমি দান করেছেন। হিন্দু নারী সমাজকর্মীর মাদ্রাসার জন্য জমি দান করায় স্থানীয় মুসলিমসহ সব মানুষই তাকে স্বাগত জানিয়েছে।
খবর হাব ডটকম জানায়, মুসলিম শিশুরা যেন তাদের পড়াশোনা করতে পারে সে জন্য নেপালের পূর্বাঞ্চলীয় জাপা অঞ্চলে বসবাসকারী বিষ্ণুমায়া মাদ্রাসা নির্মাণে এ জমি দান করেন। নেপালি মুদ্রায় ১৫ লাখ রুপি মূল্যের একখণ্ড জমি দান করেন তিনি।
মাদ্রাসা প্রধান আফারুক খান জানান, ‘মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য ৮ কাঠা জমির প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় বাকী জমি অল্প মূল্যে ক্রয় করে দ্রুত মাদ্রাসা নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।’
বর্তমানে স্থানীয় মসজিদে মাদরাসাটির ৪টি ক্লাস পরিচালিত হচ্ছে। এ মাদ্রাসাটি দ্বাদশ ক্লাস পর্যন্ত পরিচালনা করতে দ্বীনি দাতাদের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানান আফারুক খান।
বিষ্ণুমায়া প্রসাইনের এ অনুদান নেপালের হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে মধুর সম্প্রীতির বন্ধনের পরিচয়ই ফুটে ওঠেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জমিদাত্রী হিন্দু সমাজকর্মীকে এ দানের জন্য অনুষ্ঠান করে তাকে সম্মান জানিয়েছেন।
এই এলাকায় প্রায় ১৫০টি মুসলিম পরিবারের বসবাস করে। জেলার মেয়র বোজরাজ সিতাওয়ালা বলেছেন, এই অঞ্চলে মুসলমানদের কোনও মাদ্রাসা নেই। আর এজন্য এই এলাকায় বসবাসরত মুসলিম শিশুদের শিক্ষার জন্য এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক বিজয়া বড়াল বলেছেন, মাদ্রাসাটি নির্মাণের ক্ষেত্রে হিন্দুদের অবদানের মাধ্যমে নেপালের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সামাজিক সহাবস্থান এবং ধর্মীয় সহনশীলতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।
মাদ্রাসা বোর্ডের প্রধান এক অনুষ্ঠানে এই মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য যেসব দাতারা ইতিমধ্যে অনুদান দিয়েছেন তাদের সবার প্রশংসা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ওরাকল আইটি