মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
আমাদের সিলেট দর্পণ  ২৪ পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে , আমাদেরকে আপনাদের পরামর্শ ও মতামত দিতে পারেন news@sylhetdorpon.com এই ই-মেইলে ।
চাচীর পাপের বলি হল শিশু সায়েম

চাচীর পাপের বলি হল শিশু সায়েম

দর্পণ ডেক্স :সিলেটের বিয়ানীবাজারে চাচীর পরকীয়ার বলি হল সাড়ে তিন বছরের শিশু সায়েল আহমদ সোহেল। এর মূল হুতা হত্যকারী আপন চাচী সুরমা বেগম (৩৮), তার প্রেমিক চারখাই এর নাহিদুল ইসলাম  ইব্রাহিম (২৬), এর সাথে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে থাকার  দৃশ্য দেখার কারনে তাকে চালের ড্রামে ঢুকিয়ে হত্যা করে তার আপন চাচী।

এর আগে আসামি দুজনকে গ্রেফতার করে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।আজ তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ০৭/০৬/২০২০ইং তারিখ ভোর সকাল অনুমান ০৫.৫০ ঘটিকার সময় খসরু মিয়ার দুই ছেলে ভিকটিম সায়েল আহমদ সোহেল ও আরিফ আহমদ (৫) প্রতিদিনের ন্যায় আম কুড়াঁনোর জন্য চাচীর বসত ঘরের গাছের নিচে যায়। বড় ছেলে আরিফ আহমদ ঘরে ফিরে আসে কিন্তু ছোট ছেলে ভিকটিম ঘরে না আসায় তার পিতা খসরু মিয়া আশপাশে অনেক খোজাখুজি ও এলাকার মসজিদে মাইকিং করেন। খুজিয়া না পাওয়ায় একপর্যায় সন্ধ্যা অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিমের পিতা খসরু মিয়া তার ভাইয়ের স্ত্রী সুরমা বেগম কে তার ছেলে ভিকটিম সায়েল কথা জিজ্ঞাসা করিলে তার কথাবার্তা ও আচার আচরণে অস্থির ভাব থাকায় এবং তার ঘরের দরজা জানালা সারাদিন বন্ধ থাকায় ভিকটিমের পিতার সন্দেহ হয়। ভিকটিমের পিতা খসরু মিয়া স্থানীয় লোকজনের সহায়তা সুরমা বেগমের বসত ঘরে প্রবেশ করে খোজাখুজির একপর্যায়ে তার বসত ঘরের পূর্ব পাশের দক্ষিণের কক্ষ সংলগ্ন গোসল খানার মধ্যে প্লাস্টিকের ড্রামে কম্বল দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় তার ছেলে ভিকটিম সায়েল আহমদ সোহেল কে মৃত অবস্থায় পায়। উক্ত বিষয়টি বিয়ানীবাজার থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে থানা পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে ভিকটিমের চাচী সুরমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে ঘটনার কথা স্বীকার করে এবং আসামী নাহিদুল ইসলাম ইব্রাহিম এর সাথে তার পরকীয়া ছিল ঐ দিন অর্থাৎ ০৭/০৬/২০২০ইং তারিখ ভোর অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় নাহিদুল ইসলাম  ইব্রাহিম সাথে সুরমা বেগম অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকাবস্থায় ভিকটিম সায়েল আহমদ সোহেল তাহাদের অসামাজিক কার্যকলাপ দেখিয়া ফেলে। তখন তাহাদের অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়টি যাহাতে ভিকটিমের পিতা সহ অন্যান্য লোকজন জানতে না পারে সেজন্য ভিকটিমের চাচী সুরমা বেগম তার পরক্রিয়া প্রেমিক আসামী নাহিদুল ইসলাম ইব্রাহিম এর হুকুমে তার বসত ঘরে থাকা একটি মোটা গাছের ডাল দিয়া ভিকটিম সায়েল আহমদ সোহেল এর নাকে ও মুখে স্ব-জোরে বারি মারিলে ভিকটিম মাটিতে অজ্ঞান হইয়া পড়িয়া যায় এবং ভিকটিমের নাকে মুখে চাপ মারিয়া শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বসত ঘরে গোসল খানায় প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে কম্বল দিয়ে মুড়িয়ে রাখে বলিয়া স্বীকার করে।বিষয়টি বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ সিলেট দর্পণ ।

কারিগরি সহায়তায়ঃ-ওরাকল আইটি